দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসায় অনুদান দিন

অথবা

পবিত্র কুরআনে কুরবানির বিধান
কুরবানি যে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিত ইবাদত, তার প্রমাণ সরাসরি পবিত্র কুরআনে পাওয়া যায়।

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরবানি: আল্লাহ তাআলা সুরা কাউসারে ইরশাদ করেছেন:

“অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কুরবানি করুন।” (সুরা কাউসার, আয়াত: ০২)

হাদিস শরিফে কুরবানির ফজিলত ও গুরুত্ব
রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজে কুরবানি করেছেন এবং সামর্থ্যবান সাহাবিদের কুরবানি করতে উৎসাহিত করেছেন।

সবচেয়ে প্রিয় আমল: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

“কুরবানির দিন রক্ত প্রবাহিত করার (কুরবানি করা) চেয়ে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় আর কোনো আমল নেই। কিয়ামতের দিন কুরবানির পশুকে তার শিং, পশম ও খুরসহ উপস্থিত করা হবে।” (তি‘‘রমিজি ও ইবনে মাজাহ)

প্রতিটি পশমের বিনিময়ে সওয়াব: সাহাবায়ে কেরাম জানতে চাইলেন, “হে আল্লাহর রাসুল (সা.), এই কুরবানিতে আমাদের জন্য কী প্রতিদান আছে?” তিনি বললেন:

“পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে।” (ইবনে মাজাহ)

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানায় মাদ্রাসায় শত শত গরিব,অসহায়,এতিম ও অন্ধ  কুরআনের পাখিরা কুরআন শিখে।