পবিত্র ঈদুল আজহা মানেই ত্যাগের মহিমা এবং ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। কিন্তু আমাদের সমাজে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের কাছে এই আনন্দের দিনেও এক টুকরো গোশত জোগাড় করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। সুবিধাবঞ্চিত এই মানুষগুলোর ঘরে ঈদের খুশি পৌঁছে দিতে মাস্তুল ফাউন্ডেশন প্রতি বছর পরিচালনা করে আসছে “মাস্তুল কুরবানি প্রজেক্ট”।
আপনার পাঠানো পবিত্র কুরবানির অনুদান বা পশুর মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করি যেন কোনো দুস্থ পরিবার ঈদের দিন ক্ষুধার্ত না থাকে।
- অনুদান সংগ্রহ: দেশ ও বিদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ তাদের কুরবানির অংশ বা পূর্ণ পশুর টাকা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা দান করেন।
- পশু ক্রয় ও যাচাই: শরীয়াহ মোতাবেক সুস্থ ও সবল পশু ক্রয় করা হয়।
- সঠিক বণ্টন: কুরবানি শেষে দক্ষ টিমের মাধ্যমে গোশত প্যাকেটজাত করা হয় এবং অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে প্রকৃত দুস্থ, এতিম ও অসহায় পরিবারগুলোর দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
- দুর্গম এলাকায় সেবা: আমরা কেবল শহরেই সীমাবদ্ধ নই, বরং চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছেও এই উপহার পৌঁছে দিই।
-
কেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা কুরবানি দেবেন?
- ১. স্বচ্ছতা ও বিশ্বস্ততা: আপনার প্রতিটি টাকা আমানত হিসেবে গণ্য করা হয় এবং নির্দিষ্ট খাতেই ব্যয় করা হয়।
-
আপনার একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে কারো ঈদ
কুরবানি কেবল একটি ধর্মীয় বিধান নয়, এটি সামাজিক দায়বদ্ধতাও বটে। যখন আপনি মাস্তুল ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কুরবানি দেন, তখন আপনি কেবল গোশত বণ্টন করছেন না, বরং অসহায় মানুষের মনে এক চিলতে আশা এবং ঈদের প্রকৃত সার্থকতা বিলিয়ে দিচ্ছেন।আসুন, এবারের ঈদে আমাদের ত্যাগের মহিমা ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি দুস্থের আঙিনায়।
কুরবানি দেবেন?
- ১. স্বচ্ছতা ও বিশ্বস্ততা: আপনার প্রতিটি টাকা আমানত হিসেবে গণ্য করা হয় এবং নির্দিষ্ট খাতেই ব্যয় করা হয়।