কার্যক্রম সম্পর্কে
কুরবানী কেবল একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার বাস্তব প্রকাশ। ঈদুল আজহার এই মহান ইবাদতের মাধ্যমে আমরা শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টিই অর্জন করি না, বরং অসহায় মানুষের ঘরে আনন্দ ও খাদ্যের ব্যবস্থা করি।
এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা প্রতি বছর পরিচালনা করে তাদের বিশেষ “Qurbani Campaign”
যেখানে আপনার কুরবানি সরাসরি পৌঁছে যায় দরিদ্র, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা নিশ্চিত করে-
🐄 শরিয়াহ অনুযায়ী কুরবানী সম্পন্ন
🥩 স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাতকরণ
🚚 দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে বিতরণ
🤲 সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া
বাংলাদেশিদের জন্য কুরবানি ও খাদ্য সহায়তার তালিকাঃ
- রান্না গোশত (১ বাটি): ৫০০ টাকা
- কুরবানির গোশত (১টি পরিবারের জন্য): ১,০০০ টাকা
- কুরবানির খাদ্যসামগ্রী (১টি পরিবারের জন্য): ১,৫০০ টাকা
- কুরবানি শেয়ার (১/৭ অংশ): ১৩,০০০ টাকা
- একটি ছাগল: ১৬,০০০ টাকা
- একটি গরু (৭ অংশ): ৯১,০০০ টাকা
-
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি:
- কুরবানির পশু নির্বাচন: যেসব জেলায় অথবা এলাকায় কুরবানি হচ্ছে সেখানে স্থানীয় খামার থেকে ১ সপ্তাহ আগে মাস্তুলের দক্ষ অপারেশন টিম যাচাই বাছাই করে স্বাস্থ্যকর পশুগুলোকে বেছে নিয়ে আসে।
- কুরবানি যেখানে দেয়া হয়: স্থানীয় মসজিদ ও মাদ্রাসার মাঠে অথবা স্থানীয় ঈদগাহ-র সামনে দেয়া হয়ে থাকে।
- কুরবানির গোশত বিতরণ: কাঁচা গোশত প্রতি প্যাকেটে ১ কেজি সমপরিমাণ, রান্না গোশত ১ বাটি – যা ৫ সদস্যের পরিবারের একবেলার খাবারের জন্য পর্যাপ্ত।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসার মাধ্যমে কুরবানী দিন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। আপনার কুরবানি পৌঁছে দিক ভালোবাসা, আনন্দ ও সহানুভূতির বার্তা।
আমরা কেন মানুষকে সাহায্য করবো?
মহান আল্লাহ তার রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নির্দেশ দিয়েছেন, তুমি তোমার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং কুরবানী কর। (সূরা কাউসার, ২)