বিত্র ঈদুল আজহা মানেই ত্যাগের মহিমা এবং ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। কিন্তু আমাদের সমাজে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের কাছে এই আনন্দের দিনেও এক টুকরো গোশত জোগাড় করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। সুবিধাবঞ্চিত এই মানুষগুলোর ঘরে ঈদের খুশি পৌঁছে দিতে মাস্তুল ফাউন্ডেশন প্রতি বছর পরিচালনা করে আসছে “মাস্তুল কুরবানি প্রজেক্ট”।
আপনার পাঠানো পবিত্র কুরবানির অনুদান বা পশুর মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করি যেন কোনো দুস্থ পরিবার ঈদের দিন ক্ষুধার্ত না থাকে।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা কুরবানি প্রজেক্টের বৈশিষ্ট্যসমূহ
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা একটি সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন করে:
- সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে বিতরণ: দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা স্বেচ্ছাসেবীরা সরাসরি চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় কুরবানির গোশত পৌঁছে দেয়।
- সুবিধাবঞ্চিতদের অগ্রাধিকার: আমরা মূলত এতিম, বিধবা, বয়স্ক এবং শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিয়ে তালিকা তৈরি করি।
- স্বচ্ছতা ও বিশ্বস্ততা: আপনার প্রতিটি টাকা আমানত হিসেবে গণ্য করা হয় এবং শরীয়াহ মোতাবেক সুস্থ পশু ক্রয় থেকে শুরু করে সঠিক বণ্টনের প্রতিটি ধাপ নিশ্চিত করা হয়।
- আস্থার প্রতীক: ছবিতে যেমনটি দেখা যাচ্ছে, সুশৃঙ্খলভাবে লাইনের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের কাছে আমরা সম্মানজনকভাবে এই উপহার পৌঁছে দিই।
-
আপনার একটি সিদ্ধান্তে হাসবে একটি পরিবার
কুরবানি কেবল একটি ধর্মীয় বিধান নয়, এটি সামাজিক দায়বদ্ধতাও বটে। যখন আপনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা মাধ্যমে কুরবানি দেন, তখন আপনি কেবল গোশত বণ্টন করছেন না, বরং অসহায় মানুষের মনে এক চিলতে আশা এবং ঈদের প্রকৃত সার্থকতা বিলিয়ে দিচ্ছেন।আসুন, এবারের ঈদে আমাদের ত্যাগের মহিমা ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি দুস্থের আঙিনায়।