এক টুকরো আলো হোক ওদের অন্ধকারের সঙ্গী

মদিনাতুল উলুম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং মাদ্রাসা

“নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে, সালাত কায়েম করে এবং আমি তাদেরকে যে রিযক দিয়েছি তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসার আশা করতে পারে যা কখনো ধ্বংস হবে না।” — (সূরা ফাতির: ২৯)

প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা,<
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
পৃথিবীর আলো-বাতাস, সুন্দর প্রকৃতি—কোনো কিছুই দেখার সৌভাগ্য হয়নি আমাদের মাদ্রাসার এই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নিষ্পাপ এতিম শিশুদের। চোখের আলো না থাকলেও, ওদের অন্তরে রয়েছে কুরআনের আলো জ্বালানোর তীব্র আকুলতা। তারা অন্ধকারের পৃথিবীতে থেকেও মহান আল্লাহর বাণী হিফয করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
এই অসহায়, দৃষ্টিহীন ও পিতৃহীন শিশুদের বাসস্থান, খাবার, উন্নত ব্রেইল পদ্ধতির শিক্ষা এবং চিকিৎসার সমস্ত খরচ বহন করে আসছে ‘মদিনাতুল উলুম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা’
💡 আপনার সামান্য অনুদান, ওদের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ
সম্পূর্ণ বিনা খরচে চলা এই মাদ্রাসার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের পড়াশোনা ও বেঁচে থাকার লড়াইকে সচল রাখতে আপনার সাহায্য একান্ত প্রয়োজন। আপনি কি চান না একজন অন্ধ এতিম শিশুর অভিভাবক হয়ে আখেরাতে নবী করীম (সাঃ)-এর সঙ্গী হতে?
  • একটি অন্ধ এতিম বাচ্চার মাসিক খরচ: [4000] টাকা মাত্র।
  • একটি বাচ্চার বার্ষিক খরচ: [48,000] টাকা।
আপনার যাকাত, ফিৎরা, সদকা কিংবা সাধারণ অনুদানের মাধ্যমে আপনিও নিতে পারেন একজন দৃষ্টিহীন এতিম শিশুর দায়িত্ব। আপনার দেওয়া এই সামান্য অর্থ হয়তো দুনিয়ায় ওদের চলার পথ মসৃণ করবে, আর আখেরাতে আপনার জন্য বয়ে আনবে অফুরন্ত নাজাতের উসিলা।
“আমি এবং এতিম প্রতিপালনকারী জান্নাতে এভাবে থাকবো— এই বলে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নিজের তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল দুটিকে সামান্য ফাঁক করে দেখালেন।” — (সহীহ বুখারী)
আসুন, ওদের অন্ধকারের জীবনে শিক্ষার আলো ছড়াতে এবং নিজেদের পরকালের আমলনামা ভারী করতে আজই এগিয়ে আসি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফিক দান করুন। আমিন।