গরিবদের নিয়ে কুরবানি বা কুরবানির মাংস গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। কুরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন এবং আল্লাহর রাস্তায় ত্যাগ স্বীকার করা, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।
দরিদ্রদের হক: কুরবানির গোশত দরিদ্রদের দেওয়া তাদের প্রতি অনুগ্রহ নয়, বরং এটি তাদের প্রাপ্য বা হক।
সওয়াবের অংশীদার: আপনি যদি আপনার কুরবানির মাংস থেকে গরিব-মিসকিন এবং এতিমদের দেন, তবে আপনি কুরবানির সওয়াবের পাশাপাশি সদকার সওয়াবও পাবেন, যা অনেক গুণ বেশি।
আতিথেয়তা: কুরবানির গোশত আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে দরিদ্রদের জন্য আতিথেয়তা স্বরূপ, যা কোরআনে বর্ণিত হয়েছে।
বিতরণের উত্তম উপায়: কুরবানির মাংস নিজে খাওয়া, আত্মীয়দের দেওয়া এবং গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা—এভাবে তিন ভাগে ভাগ করা উত্তম। তবে পুরো মাংস গরিবদের মাঝে বিতরণ করে দেওয়া আরও বেশি সওয়াবের কাজ।
চামড়ার মূল্য: কুরবানির পশুর চামড়া গরিব ও এতিমদের দান করা বা বিক্রিত অর্থ তাদের দিয়ে দেওয়া উত্তম।
সহজ কথায়, কুরবানির পশু যত বড় বা দামি, তার চেয়ে বড় কথা হলো—কুরবানিটি কতটুকু নিষ্ঠার সাথে এবং গরিবদের হক আদায় করে দেওয়া হয়েছে।